মুসলিমদের কাছে জুমার দিন পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসে এই দিনটিকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। এ বিষয়ে রাসুল (সা.) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ এ দিনটিকে মুসলমানদের জন্য ঈদের দিনরূপে নির্ধারণ করেছেন।
- ফ্রান্সে স্কাইডাইভিং বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ১১
- * * * *
- অবশেষে ৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হচ্ছে খামেনির জানাজা
- * * * *
- মেয়ের নাম অনুদানের তালিকায় থাকায় পিএসকে বরখাস্ত করলেন জামায়াত এমপি
- * * * *
- ময়মনসিংহে স্ত্রী হত্যায় অভিযুক্ত স্বামীকে আদালতে হাজির করলো পুলিশ
- * * * *
- "১৮ কোটি মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাই সরকারের অগ্রাধিকার"
- * * * *
বিশেষ ফজিলত
আরাফাত দিবসে মহান আল্লাহ তাঁর ক্ষমা, রহমত ও দয়া উপস্থাপন করেন। আরাফা আরবি শব্দ। এর অর্থ হচ্ছে চেনা, জানা। দীর্ঘদিন বিচ্ছেদের পর হজরত আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.) পরস্পরের দেখা হয়- আরাফাতের দিন।
সূরা আল- ওয়াক্বিয়া’র নামের অর্থ, নিশ্চিত ঘটনা। এটি পবিত্র কোরআন শরীফের ৫৬তম সূরা। এই সূরার আয়াত সংখ্যা ৯৬, রুকু আছে ৩টি।
সুরা ইখলাস কোরআনের ১১২তম সুরা, আয়াত সংখ্যা ৪টি, রুকু ১টি। মক্কার মুশরিক বা মদিনার ইহুদিরা নবিজিকে (সা.) প্রশ্ন করেছিল, আল্লাহর বংশ-পরিচয় কী? তাদের প্রশ্নের জবাবে এ সুরা অবতীর্ণ হয়।
সুরা ইয়াসিন একটি মর্যাদাসম্পন্ন সুরা। গুরুত্বপূর্ণ এ সুরাটিকে পবিত্র কোরআনের হৃৎপিণ্ড বলা হয়। এই সুরার অনেক ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে হাদিসে।
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর প্রত্যেক ওয়াক্তে একটি করে মোট ৫টি সুরা পাঠের বিশেষ সওয়াব ও ফজিলত বর্ণিত হয়েছে হাদিসে।
জুমার দিনের একটি বিশেষ ফজিলত হলো জান্নাতবাসীদের জন্য এটি মহা আনন্দের দিন। জান্নাতে প্রতি জুমাবারে বিপুল প্রাপ্তির সমাহার ঘটবে। আল্লাহ তাআলার বিশেষ ব্যবস্থাপনায় নবী-রাসুল, নেককার বান্দাদের মিলন-উৎসব হবে। এর মধ্যে আল্লাহ তাআলার দিদার লাভ সবচেয়ে বড় নেয়ামত।